বাংলাদেশ থেকে আইনগতভাবে কেবল একটি দেশেই যাওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, আর সেটি হলো ইসরায়েল। বাংলাদেশের সাথে ইসরায়েলের কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। এছাড়া যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ (যেমন: সিরিয়া, ইয়েমেন) এবং উত্তর কোরিয়ার মতো কঠোর নীতির দেশে বাংলাদেশিদের সরাসরি প্রবেশ প্রায় অসম্ভব বা অত্যন্ত জটিল।
আপনার হাতের সবুজ পাসপোর্টটি নিয়ে কি কখনো ভেবেছেন? স্বপ্ন থাকলেই কি যেকোনো দেশের ফ্লাইটে ওঠা যায়?
অনেকেই মনে করেন, টাকা এবং সঠিক ডকুমেন্টস থাকলে পৃথিবীর যেকোনো দেশে ভ্রমণ করা সম্ভব। কিন্তু বাস্তবতা হলো, ভূ-রাজনীতি এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতির কারণে এমন কিছু দেশ রয়েছে, যেখানে চাইলেই আপনি যেতে পারবেন না।
চলুন, গভীরে প্রবেশ করা যাক!
দ্য বিগ ব্যান: আইনগতভাবে নিষিদ্ধ দেশ
বাংলাদেশ থেকে ভ্রমণের ক্ষেত্রে একমাত্র এবং সবচেয়ে বড় নিষেধাজ্ঞাটি রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশের ওপর।
১. ইসরায়েল (সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ)
বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ইসরায়েল ভ্রমণ সম্পূর্ণ বেআইনি। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত ইসরায়েলকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। ফিলিস্তিনের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।
পাসপোর্টের সেই বিখ্যাত লাইন:
আগে বাংলাদেশের পাসপোর্টের প্রথম পৃষ্ঠায় স্পষ্টভাবে লেখা থাকতো— “This passport is valid for all countries of the world except Israel” (এই পাসপোর্ট ইসরায়েল ব্যতীত বিশ্বের সব দেশের জন্য বৈধ)।
ভুল ধারণা ও বর্তমান বাস্তবতা:
সম্প্রতি বাংলাদেশের ই-পাসপোর্ট থেকে “Except Israel” কথাটি বাদ দেওয়া হয়েছে। অনেকেই ভেবেছিলেন, হয়তো এখন ইসরায়েল যাওয়া যাবে। কিন্তু এটি একটি বিরাট ভুল ধারণা!
বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, ইসরায়েল ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা এখনো বহাল আছে। কথাটি বাদ দেওয়া হয়েছে মূলত পাসপোর্টের আন্তর্জাতিক মান (ICAO standards) বজায় রাখার জন্য। কেউ যদি অন্য কোনো দেশের ভিসা বা অন্য কোনো পাসপোর্ট ব্যবহার করে ইসরায়েল যান, তবে বাংলাদেশে ফিরে আসার পর তাকে রাষ্ট্রদ্রোহ ও পাসপোর্ট আইনের অধীনে শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে।
যেসব দেশে যাওয়া নিষিদ্ধ নয়, কিন্তু ‘অসম্ভব’
কিছু দেশ আছে যেখানে বাংলাদেশ সরকারের কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই, কিন্তু সেখানকার ভিসা পাওয়া বা সেখানে প্রবেশ করা বলতে গেলে এক প্রকার অসম্ভব।
২. উত্তর কোরিয়া (অত্যন্ত জটিল)
বিশ্বের সবচেয়ে বিচ্ছিন্ন দেশ হলো উত্তর কোরিয়া। এখানে সাধারণ পর্যটকদের স্বাধীনভাবে ঘোরার কোনো সুযোগ নেই।
-
কেন যাওয়া কঠিন? বাংলাদেশ থেকে সরাসরি উত্তর কোরিয়ার কোনো ভিসা পাওয়া যায় না। আপনাকে চীনের বেইজিং হয়ে বিশেষ ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।
-
বাস্তবতা: ভিসা পেলেও আপনাকে সার্বক্ষণিক সরকারি গাইডের নজরে থাকতে হবে।
৩. যুদ্ধবিধ্বস্ত এবং চরম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ
এমন কিছু দেশ রয়েছে যেখানে গৃহযুদ্ধ, চরম রাজনৈতিক অস্থিরতা অথবা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কারণে ভ্রমণ করা আত্মঘাতী।
-
সিরিয়া: গত এক দশকের বেশি সময় ধরে চলা গৃহযুদ্ধের কারণে সিরিয়া একটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। পর্যটকদের জন্য কোনো ভিসা ইস্যু করা হয় না।
-
ইয়েমেন: বিশ্বের অন্যতম ভয়াবহ মানবিক সংকটের দেশ। এখানে পর্যটন বলতে কিছু নেই।
-
সোমালিয়া: জলদস্যু এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীর কারণে এটি চরম অনিরাপদ।
-
আফগানিস্তান: তালেবান নিয়ন্ত্রিত আফগানিস্তানে সাধারণ পর্যটকদের প্রবেশ অত্যন্ত সীমিত এবং ঝুঁকিপূর্ণ।
প্রো টিপস: আপনি যদি অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় হয়েও থাকেন, তবু এই দেশগুলো এড়িয়ে চলা উচিত। কারণ বিপদে পড়লে এসব দেশে বাংলাদেশ দূতাবাসের কোনো সরাসরি সহায়তা আপনি পাবেন না।
কূটনৈতিক স্বীকৃতি বা দূতাবাস নেই যেসব দেশে
এমন অনেক দেশ বা ভূখণ্ড আছে, যেগুলোকে বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি, অথবা যাদের সাথে বাংলাদেশের কোনো আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই।
৪. তাইওয়ান
চীন তাইওয়ানকে নিজেদের একটি প্রদেশ মনে করে (One China Policy)। বাংলাদেশও এই নীতিকে সমর্থন করে।
-
জটিলতা: তাইওয়ানের কোনো দূতাবাস বাংলাদেশে নেই। তাইওয়ান যেতে চাইলে তৃতীয় কোনো দেশ (যেমন: থাইল্যান্ড বা ভারত) থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় ভিসা বা পারমিট সংগ্রহ করতে হয়, যা বেশ ঝামেলার।
৫. কসোভো
ইউরোপের এই দেশটিকে অনেক পশ্চিমা দেশ স্বীকৃতি দিলেও, বাংলাদেশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়নি। ফলে সরাসরি কসোভোর ভিসা প্রক্রিয়া করা বাংলাদেশিদের জন্য বেশ কঠিন।
কীভাবে চেক করবেন আপনার গন্তব্য নিরাপদ কি না?
ভিসা ফি বা বিমানের টিকিট কাটার আগে নিচের ৫টি ধাপ অবশ্যই অনুসরণ করুন। এটি আপনার সময়, অর্থ এবং মানসিক শান্তি বাঁচাবে।
ধাপ ১: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট চেক করুন
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (MOFA) কোনো দেশের ওপর ট্রাভেল অ্যাডভাইজরি (Travel Advisory) জারি করেছে কি না, তা চেক করুন।
ধাপ ২: IATA Travel Centre ব্যবহার করুন
ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন (IATA)-এর ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনার পাসপোর্ট, গন্তব্য এবং ট্রানজিট দেশের তথ্য দিন। তারা জানাবে আপনার ভিসা লাগবে কি না বা কোনো বিধিনিষেধ আছে কি না।
ধাপ ৩: ট্রানজিট ভিসা সম্পর্কে জানুন
অনেকেই এই ভুলটি করেন! ধরুন, আপনি এমন একটি দেশে যাচ্ছেন যেখানে আপনার ভিসা আছে, কিন্তু মাঝপথে ইউরোপের কোনো দেশে আপনার ফ্লাইট ট্রানজিট নেবে। অনেক ক্ষেত্রে ওই ট্রানজিটের জন্যও আলাদা ভিসার প্রয়োজন হয়।
ধাপ ৪: দূতাবাসের সাথে সরাসরি যোগাযোগ
যে দেশে যেতে চান, বাংলাদেশে তাদের দূতাবাস থাকলে সেখানে ইমেইল করুন বা ফোন করুন। দূতাবাস না থাকলে পার্শ্ববর্তী দেশের (যেমন: ভারত) দূতাবাসের ওয়েবসাইটে তথ্য খুঁজুন।
ধাপ ৫: শক্তিশালী ট্রাভেল ইন্স্যুরেন্স করুন
যেকোনো আন্তর্জাতিক ভ্রমণের আগে এমন একটি ট্রাভেল ইন্স্যুরেন্স করুন যা স্বাস্থ্যঝুঁকি, ফ্লাইট বাতিল এবং ইমার্জেন্সি ইভাকুয়েশন কভার করে।
বাংলাদেশিদের করা সাধারণ ভুল
ভ্রমণ পরিকল্পনা করতে গিয়ে আমরা প্রায়ই কিছু মারাত্মক ভুল করি, যার ফলে ভিসা রিজেক্ট হয় বা এয়ারপোর্ট থেকে ফিরে আসতে হয়।
-
ভুল ১: ব্যাংক স্টেটমেন্টে কারচুপি করা। হঠাৎ করে অ্যাকাউন্টে অনেক টাকা জমা দেখানো একটি রেড ফ্ল্যাগ। দূতাবাসগুলো নিয়মিত লেনদেন দেখতে চায়।
-
ভুল ২: ট্রাভেল হিস্ট্রি না থাকা। প্রথমেই আমেরিকা বা ইউরোপের ভিসা আবেদন করা। এর বদলে ভারত, নেপাল, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ঘুরে ট্রাভেল হিস্ট্রি শক্তিশালী করা উচিত।
-
ভুল ৩: মিথ্যা তথ্য দেওয়া। হোটেল বুকিং বা রিটার্ন টিকিট ফেক তৈরি করা। ইমিগ্রেশন অফিসাররা এসব খুব সহজেই ধরতে পারেন।
-
ভুল ৪: ‘ভিসা শপিং’ করা। ইউরোপের শেনজেন (Schengen) এলাকার ক্ষেত্রে, যে দেশে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন, সেই দেশের ভিসার জন্যই আবেদন করা উচিত। সহজ মনে করে অন্য দেশের ভিসা নিয়ে প্রথম প্রবেশ করতে গেলে বিপদে পড়তে পারেন।
অ্যাডভান্সড ট্রাভেল টিপস
আপনি যদি সত্যি একজন স্মার্ট ট্রাভেলার হতে চান, তবে এই হ্যাকসগুলো মাথায় রাখুন:
-
পাসপোর্টের মেয়াদ: সবসময় খেয়াল রাখুন ভ্রমণের দিন থেকে আপনার পাসপোর্টের মেয়াদ যেন অন্তত ৬ মাস থাকে।
-
ই-ভিসা এবং অন-অ্যারাইভাল: বাংলাদেশিদের জন্য বর্তমানে বেশ কিছু দেশে ই-ভিসা এবং অন-অ্যারাইভাল ভিসার সুবিধা রয়েছে (যেমন: মালদ্বীপ, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়া)। প্রথমেই এই দেশগুলো টার্গেট করুন।
-
সোশ্যাল মিডিয়া ক্লিনআপ: অনেক দেশের ইমিগ্রেশন (বিশেষ করে আমেরিকা) এখন আপনার সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল চেক করতে পারে। তাই বিতর্কিত বা উসকানিমূলক পোস্ট থেকে বিরত থাকুন।
সাধারন জিজ্ঞাসা
১. ই-পাসপোর্ট থেকে ‘Except Israel’ কেন বাদ দেওয়া হলো?
আন্তর্জাতিক সিভিল অ্যাভিয়েশন অর্গানাইজেশনের (ICAO) নিয়ম অনুযায়ী পাসপোর্টে কোনো দেশের নাম নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করার নিয়ম নেই। পাসপোর্টকে আন্তর্জাতিক মানের করতেই এটি বাদ দেওয়া হয়েছে, তবে ইসরায়েল ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা বহাল আছে।
২. বাংলাদেশিরা কি ফিলিস্তিন ভ্রমণ করতে পারে?
ফিলিস্তিন ভ্রমণের জন্য আলাদা কোনো ভিসা নেই, আপনাকে ইসরায়েল হয়েই সেখানে প্রবেশ করতে হবে। যেহেতু বাংলাদেশিদের ইসরায়েল প্রবেশ নিষিদ্ধ, তাই ফিলিস্তিনে যাওয়াও বাস্তবে সম্ভব নয়।
৩. ভারত থেকে কি ইসরায়েল যাওয়া যায়?
ভারতের সাথে ইসরায়েলের সুসম্পর্ক থাকলেও, আপনি যদি বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী হন, তবে ভারত থেকেও আপনি ইসরায়েল যেতে পারবেন না। এটি আপনার পাসপোর্টের ওপর নির্ভর করে, কোন দেশ থেকে ফ্লাইট নিচ্ছেন তার ওপর নয়।
৪. নর্থ কোরিয়া ভ্রমণের জন্য কি বাংলাদেশ সরকারের অনুমতি লাগে?
না, বাংলাদেশ সরকারের সরাসরি কোনো অনুমতির প্রয়োজন নেই। তবে নর্থ কোরিয়া সরকার সাধারণত বাংলাদেশিদের সহজে ভিসা দেয় না। চীনের অনুমোদিত ট্যুর অপারেটরের মাধ্যমে আবেদন করতে হয়।
৫: বাংলাদেশি পাসপোর্ট দিয়ে পৃথিবীর কতটি দেশে বিনা ভিসায় যাওয়া যায়?
হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স অনুযায়ী, বাংলাদেশি পাসপোর্ট দিয়ে বিশ্বের প্রায় ৪২টি দেশে অন-অ্যারাইভাল বা বিনা ভিসায় ভ্রমণ করা সম্ভব।
৬: আমি যদি অন্য দেশের পাসপোর্ট (দ্বৈত নাগরিকত্ব) ব্যবহার করে ইসরায়েল যাই, তবে কি সমস্যা হবে?
আপনি যদি অন্য দেশের নাগরিক হিসেবে সেই দেশের পাসপোর্ট ব্যবহার করে যান, তবে সেটি ভিন্ন বিষয়। কিন্তু বাংলাদেশি পাসপোর্ট ব্যবহার করে বা নিজেকে বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে পরিচয় দিয়ে সেখানে যাওয়া আইনত দণ্ডনীয়।
৭: ইউরোপের কোনো দেশে কি বাংলাদেশিদের যাওয়া নিষেধ?
না, ইউরোপের কোনো দেশে বাংলাদেশিদের ভ্রমণে আইনি নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে শেনজেন বা যুক্তরাজ্যের ভিসা পাওয়া তুলনামূলক কঠিন এবং কঠোর প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়।
৮: ট্রানজিট ভিসা কী এবং এটি কখন লাগে?
আপনি যখন আপনার গন্তব্যে যাওয়ার পথে অন্য কোনো দেশের বিমানবন্দরে যাত্রাবিরতি করেন এবং যদি আপনাকে ইমিগ্রেশন পার হয়ে টার্মিনাল পরিবর্তন করতে হয়, তখন ট্রানজিট ভিসার প্রয়োজন হয়।
শেষ কথা
ভ্রমণ মানুষের মনকে প্রসারিত করে, নতুন পৃথিবী চিনতে শেখায়। “বাংলাদেশ থেকে কোন কোন দেশে যাওয়া যায় না” – এই প্রশ্নের সহজ উত্তর হলো: ইসরায়েল ছাড়া আর কোথাও যেতে আইনি বাধা নেই। তবে ভূ-রাজনৈতিক জটিলতা এবং অর্থনৈতিক বাস্তবতার কারণে অনেক দেশের দরজাই আমাদের জন্য সহজে খোলে না। হতাশ হওয়ার কিছু নেই! সঠিক ট্রাভেল হিস্ট্রি, নিখুঁত ডকুমেন্টস এবং স্পষ্ট উদ্দেশ্য থাকলে পৃথিবীর অধিকাংশ দেশেই আপনি বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিয়ে সগর্বে ভ্রমণ করতে পারবেন।
ভ্রমণ হোক নিরাপদ ও আনন্দময়। আপনার পরবর্তী গন্তব্য কোথায়? আজই আপনার ট্রাভেল প্ল্যান শুরু করুন এবং ভিসা সংক্রান্ত নিয়মকানুন ভালোভাবে জেনে নিন!
এই আর্টিকেলটি যদি আপনার উপকারে আসে, তবে বন্ধু ও পরিবারের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
আমি একটি প্রাইভেট ভিসা প্রসেসিং কোম্পানিতে জব করি। পাশাপাশি এই ব্লগটিতে লেখালেখি করি। আমি ব্রাক ইউনিভার্সিটে থেকে এমবিএ করেছি।